Saturday, November 29, 2014

ফেসবুকে গোপনে মেসেজ পড়বেন যেভাবে

আপনি ফেসবুকে কারো সেন্ড করা মেসেজ পড়েছেন কি না, তা মেসেজ সেন্ডার জেনে যায়। কিন্তু এটাই চুড়ান্ত কথা নয়। ফেসবুকের এ ব্যাপারটি বাদ দেওয়াও অসম্ভব নয়। এ লেখায় থাকছে আপনি মেসেজটি পড়েছেন কি না, তা হাইড কিংবা আনসিন করার উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার পত্রিকা ।
ফেসবুকে আপনাকে কেউ মেসেজ পাঠানোর পর আপনি যদি তা ওপেন করে দেখেন তাহলে সেটা মেসেজ প্রেরক বুঝতে পারে। এমনকি বার্তাটি কোন সময়ে পড়া হয়েছে সেটাও দেখানো হয়। আর এ পদ্ধতিকে অনেক ইউজার বেশ বিরক্তিকর বলে মনে করে।
আপনি যদি মোবাইল ফোন ব্যাবহার করেন সে ক্ষেত্রে ফেসবুকের এ নিয়মটি বন্ধ করতে পারবেন না। তবে আপনি যদি ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে লগইন করেন তাহলে এ সুবিধাটি গ্রহন করতে পারবেন।

এজন্য যা যা করতে হবে তা হলো, একটি ফ্রি ফেসবুক অ্যাপ ইনস্টল করে নেওয়া। ‘Unseen ’ নামের অ্যাপটি গোপনে আপনার ফেসবুকের মেসেজগুলো পড়ে দেবে। এতে প্রেরক জানতেও পারবে না  আপনি তার মেসেজ পড়েছেন কি না।
এ ছাড়াও আছে Facebook Unseen  নামে গুগল ক্রোমের একটি এক্সটেনশন। এতে আপনি আপনার মেসেজ পড়েছেন নাকি পড়েননি সেটা ম্যানুয়ালি মার্ক করে দিতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েডে র‌্যাম বেশি লাগার কারন

নিত্য নতুন যত অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন আসছে তাতে উন্নত প্রসেসর ও গ্রাফিকসের সাথে বেশি র‌্যামের ব্যবহারও দেখা যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্যামসাংয়ের নোট ফ্যাবলেটে ৩ গিগাবাইট র‌্যামের কথা । কিন্তু সাম্প্রতিক আইফোনের সংস্করণে মাত্র ১ গিগাবাইট র‌্যাম সংযুক্ত করেছে অ্যাপল। এবার প্রশ্ন হচ্ছে, আইফোনের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েডে বেশি র‌্যাম লাগে কেন?

এ প্রশ্নটির বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা। কেউ কেউ বলেন, অ্যান্ড্রয়েডে মাল্টিটাস্কিং অথবা বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য র‌্যাম বেশি লাগে। তবে গেম নির্মাতা গ্লেন উইলিয়ামস এ প্রশ্নটির গ্রহণযোগ্য একটি সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, অ্যান্ড্রয়েডে ব্যবহৃত জাভা ও অ্যান্ড্রয়েড প্রসেসিংয়ের সময় জঞ্জাল সংগ্রহ করে বলেই বেশি র‌্যাম দরকার হয়।
র‌্যান্ডম-অ্যাক্সেস মেমোরি, সংক্ষেপে  (ram) র‌্যাম হলো এক ধরনের কম্পিউটারের উপাত্ত (ডেটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র‌্যাম হতে যেকোনো ক্রমে উপাত্ত অ্যাক্সেস করা যায়, এ জন্যেই একে র‌্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি বলা হয়।
প্রশ্নোত্তর সম্বন্ধীয় ওয়েবসাইট কোরাতে আইফোনের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েডে বেশি র‌্যাম লাগে কেন—এ প্রশ্নটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন গ্লেন। তাঁর মতে, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা ও এই অপারেটিং সিস্টেমটির মেমোরি রিসাইকেল করার প্রক্রিয়া হিসেবে জঞ্জাল সংগ্রহ করে । যখন মেমোরি অনেক খালি থাকে, তখন এই সিস্টেমটি ভালো কাজ করে কিন্তু মেমোরি যখন কম থাকে, তখন অ্যান্ড্রয়েডের পারফরম্যান্স খারাপ হয়ে যায়।
একটি ডায়াগ্রামের মারফত কোরাতে গ্লেন দেখিয়েছেন, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সর্বোচ্চ সক্ষমতা পেতে চার থেকে আট গুণ বেশি মেমোরি থাকা দরকার। এ কারণেই আইওএসের চেয়ে অ্যান্ড্রয়েডে বেশি পরিমাণ র‌্যাম প্রয়জন হয়। এ ছাড়া বেশি মেমোরি মানে বেশি বেশি চার্জ খরচ।

Friday, November 28, 2014

দাঁতের পোকা আসলে কী?

দাঁতে পোকা বলতে তেমন কিছু থাকে না৷ দাঁত হতে পোকা বাহির করার ঘটনা এক প্রকারের ভেলকি মাত্র৷ আসলে মিষ্টি জাতীয় জিনিষ মুখের জীবাণুর সাথে মিশে অম্ল সৃষ্টি করে, যা দাঁতের এনামেলের মধ্যে ক্ষয় করে গর্তের সৃষ্টি করে৷ এটাকে বলা হয় ডেন্টাল ক্যারিজ৷ আস্তে আস্তে এতে এক প্রকারের আলগা আস্তরণ  পড়ে, যাকে বলা হয় দন্তমল বা প্ল্যাক৷ জীবাণুযুক্ত এই গর্ত বা দন্তমলই হলো চলতি কথায় দাঁতের পোকা৷

  অধ্যাপক অরূপ রতন চৌধুরী, দন্ত
   বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল৷

tags: দাঁতের পোকা, দাতে পোকা, date poka, date poka keno hoy

বুক জ্বালাপোড়ায় করনীয়

বুকে জ্বালাপোড়া করার অন্যতম  কারণ হলো পাকস্থলীর অম্ল খাদ্যনালি দিয়ে ওপরের দিকে উঠে আসতে থাকা৷ বুক জ্বালাপোড়া হতে বাঁচতে অনেকেই অ্যান্টাসিড বা গ্যাস্ট্রিকের বিভিন্ন ওষুধের ওপর নির্ভর করে থাকেন৷ কিন্তু প্রতিদিনকার  কিছু অভ্যাস পাল্টে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া অনেকটাই সম্ভব৷
১. রাতের খাবার অবশ্যই শোয়ার অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পূর্বে শেষ করবেন৷
২. একবারে অনেক বেশি পরিমাণে নয়, সারা দিনের খাবার কম কম করে বেশ কয়েক বারে ভাগ করে করে খান৷ তিন বেলা মূল খাবারের মধ্যে খিদে পেলে হালকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করে ফেলুন।
৩. ওজন কমিয়ে ফেলুন৷ ওজনাধিক্য এ সমস্যার একটি অন্যতম  কারণ৷
৪. যে যে খাবারগুলো বুক জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করে, তা শনাক্ত করুন ও সেই খাবার গুলো এড়িয়ে চলুন৷
৫. অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয়, অ্যালকোহল, টক ফল, টমেটো, পেঁয়াজ, চকলেট, পিপারমিন্ট, তেল ও মসলাযুক্ত খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন৷
৬. ধূমপান বর্জন করুন৷ নিকোটিন পাকস্থলীর ও খাদ্যনািলর সংযোগস্থলকে দুর্বল করে ফেলে৷ এর ফলে খুব সহজেই পাকস্থলীর অম্ল খাদ্যনালিতে প্রবেশ করতে পারে৷
৭. খাবার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে অথবা পরে ব্যায়াম করবেন৷ ব্যায়ামের আগে ও ব্যায়ামের মধ্যে পানি পান করুন৷

ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন
মেডিসিন বিভাগ
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ

tags: বুক জালাপোড়া, বুক ব্যাথা, গ্যাস্ট্রিক, গেস্ট্রিক, গেস্টিক, buk jala, buk jalapora, buk zala pora, gastik, buk betha, buk batha

Tuesday, November 25, 2014

আদার রসের ব্যাপক উপকারিতা

প্রায় ২০০০ বছর আগে থেকে চীনা ভেষজবিদেরা পাকস্থলীর নানা সমস্যায় আদা ব্যবহার করে আসছেন৷ আদার ভেষজ গুণের উল্লেখ রয়েছে মহাভারতে ও আয়ুর্বেদ মেডিসিনেও৷ আর বর্তমানের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরাও আদার বিভিন্ন গুণের প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷
আদার রসে রয়েছে জিনজেরল নামের রাসায়সিক উপাদান, যা দেহের সিমপ্যাথেটিক সিস্টেমে বিটা এগনিস্ট হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ বন্ধ শ্বাসনািল খুলে দেয়, সাইনাসগুলোকে পরিষ্কার রাখে, শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে৷ হাঁপানি রোগে ব্যবহৃত বিটা এগনিস্ট ওষুধের প্রায় সমান কার্যকরী এই রস—তা গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে৷ এ ছাড়া শোগাওল নামের উপাদান মস্তিষ্কের বিভিন্ন কেন্দ্রের ওপর কাজ করে বমি ভাব বা বমি অনেকটাই কমাতে পারে৷ বিজ্ঞানীরা যেসব সমস্যায় আদার ব্যবহারের সুফল মেনে নিয়েছেন সেগুলো হলো:
যাত্রাকালীন অসুস্থতা বা মোশন সিকনেস কমানো এবং গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেসে দারুণ কাজে আসে আদার রস৷ এটি পেটের ব্যথা, গ্যাস কমায়, রুচি বাড়াতে সাহায্য করে৷ এ ছাড়া এটি অন্ত্রে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের শোষণ বাড়ায়৷ এন্টি ইনফ্লামেটেরি গুণ থাকায় বাত ব্যথার রোগীদেরও উপকারে আসে নিয়মিত আদা বা আদার রস সেবন৷ ফিলাডেলফিয়ায় এসিটামিনোফের বা প্যারাসিটামল ও আদার রস পাশাপাশি ব্যবহার করে ব্যথা-বেদনা কমাতে প্রায় সমান কার্যকারিতা পাওয়া গেছে৷ আদা মাইগ্রেন রোগীদেরও আরাম দিতে পারে৷ আদার রস পাকস্থলীতে মিউকাস আবরণ তৈরিতে সাহায্য করে৷ এ কারণে ভারী খাবারের পর আদা চিবানো একটি প্রাচ্যদেশীয় অভ্যেস৷
সূত্র: নিউট্রিশন ফ্যাক্ট৷

search tags:
adar rosher upokarita
adar ros khele ki hoy
adar upokarita
ada khaoar upokarita
adar rosher gunagun